সজিব বাড়ৈ:- অভিযোগ রয়েছে যে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনোহরদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুজ্জামান এর মায়ের পা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে গত ১৬ /৬/২৬ তারিখ রাজধানীর সুপরিচিত হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মাকে ভর্তি করান অর্থোপেডিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডক্টর ফরিদ আহমেদের তত্ত্বাবধানে। তিন দিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর অপারেশন শেষে ২১৪ নং হস্তান্তর করে রক্তস্বল্পতার কারণে ডাক্তারের পরামর্শে রক্ত দেওয়ার সময় রিয়েকশন দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রক্ত দেওয়া বন্ধ করা হয়। ফাইলে যে ইনস্ট্রাকশন দেওয়া ছিল উহা ফলো না করে ডাক্তার রনক মেডিকেল অফিসার নিউরোসার্জারি ওই অবস্থায় ইনস্ট্রাকশন নিয়ম ভঙ্গ করে পুনরায় রক্ত রিয়েঞ্জেকশন করতে চায় যা চিকিৎসা শাস্ত্রের সম্পূর্ণ পরিপন্থী এই নিয়ে ভুক্তভোগী তৌহিদুজ্জামানের সাথে রনক মুশফিকের সাথে তর্ক বিতর্ক হয় একপর্যায়ে ডাক্তার রনক মুশফিক চলে যান সেদিন সকালে অ্যান্টিবায়োটি মেরপোনাম সকাল ছয়টার সময় দেওয়ার কথা থাকলেও ২ ঘণ্টা পরে সকাল আটটার সময় দেওয়া হয় পরবর্তীতে ৮ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই দুপুর একটা ত্রিশ মিনিটের সময় পুনরায় মেরপোনাম দেওয়া হয় ডাক্তার রনকের পরামর্শে তার একটি ঔষধ দেওয়া হলেও রোগীর শরীরে প্রচুর জ্বর আসে শিশুনি ও হার্টবিট অনেক বেড়ে যায় রাত ৯ টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত কার্ডিওলজির কোন ডাক্তার পাওয়া যায় নাই পরে একজন এসে রবির মুমূর্ষ অবস্থা দেখার পরও সি সি ওতে নিতে চায় নাই ভুক্তভোগী তৌহিদুজ্জামানের অভিযোগ উক্ত ডাক্তারের সাথে অনেক জোরাজোরি করার পরও রুবির অভিভাবকের অনুরোধে এই কথা লিখে তারপর সিসিওতে ভর্তির অনুমতি দেন সিসিওতে ভর্তির পর কোন ডাক্তারের সহযোগিতা পাওয়া যায় নাই এমনকি তার মায়ের ইউরিনের সাথে রক্ত যাচ্ছে জানানোর পরেও হাসপাতালের দায়িত্ব রত ব্যক্তিরা বলেন অর্থপেডিক্সের পেশেন্ট আপনারা অর্থোপেডিক্সের উনাকে বলেন এ নিয়ে প্রতিদিন মুমূর্ষ ভুক্তভোগীর মায়ের অক্সিজেন চলাকালীন সময় তার মাকে রিলিজ করে দিতে চান যেত সিসিওতে রুমে টিভি আছে খেলার সময় সব ডাক্তারগণ মিলে চিৎকার চেঁচামেচি করে খেলা দেখত ভুক্তভোগী তাদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে ডাক্তার পঙ্কজ বিশ্বাস কুশ মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি বিভাগ তৌহিদুজ্জামানকে হুমকি প্রদান করে। ওই দিনই রবিকে বের করে দিবে বলে।ভুক্তভোগী এ বিষয়ে ডাক্তার ফরিদ আহমদকে জানানোর পর এর মাঝে চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও অক্সিজেন লেভেল কমে গেলেও কি কারনে কমে গেছে ডাক্তাররা তার কারণ চিহ্নিত করতে না পাড়ার কারণে ভুক্তভোগীর মায়ের শারীরিক অবস্থা আরো দুর্বল হয়ে যায় পঞ্চম দিনের সিটি সিটি এসকানে ধরা পড়ে ভুক্তভোগীর মায়ের ফুসফুসে পানি জমা হয় নিউমেনিয়া হয়ে গেছে ডাক্তার মাহাবুব সাহেবের অধীনে অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলে রোগীকে কেবিনে স্থানান্তর করলে পরে ভুক্তভোগী তার মাকে অর্থোপেডিক থেকে ট্রান্সফার করে রেসপেক্টরীতে নিতে চাইলে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয় নাই পরে রুগীর পায়ে ড্রেসিং শেষ হলে হঠাৎ করে রেসপেক্টরের অনুমতি ছাড়া রোগীকে রিলিজ দেওয়া হয়। এরপর রেস্পেক্টরি পরামর্শ অব্যাহতি ক্যানসেল করার পর রোগীর জ্ঞান না ফেরাতে বক্তব্য দিতে তৌহিদুজ্জামান পরিচালক বরাবর মেডিকেল বোর্ড গঠনের আবেদন জানায় তিন দিন অপেক্ষা করো কিছু জানায়নি। ১১ তারিখ হঠাৎ করে এক্সপেক্টরি হতে অর্থপেডিক্সে ট্রান্সফার করা হয় ভুক্তভোগী ফরিদুজ্জামান দিয়ে বলেন যে রোগীর রেস্পতরির সমস্যা না থাকার পর কিভাবে অর্থোপেডিক্সে হস্তান্তর করা হয় ইতিমধ্যে ভুল চিকিৎসার জন্য ভুক্তভোগীদের ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা এন্টিবায়োটিক কিনতে হয় এবং কেবিন স্বল্পতার জন্য সিসিইউতে তার মা থাকাকালীন অবস্থায় বুক করে ৬০ হাজার টাকা পেমেন্ট করতে হয় তাদের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে ভুক্তভোগীগণ আর্থিক শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। এজন্য ফৌজদারী আইনে চিকিৎসা সেবায় চিকিৎসকের অবহেলা ও দায়িত্ব জ্ঞানহীন কর্মকান্ডের জন্য ৩০৪,৩৩৬,৩৩৭,৩৩৮ ধারা মতে পোর শিডিউর অধীনে আর্থিক ও মানসিক ক্ষতিপূরণের আওতায় পড়ে যা বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল বিএমডিসি এর পেশাগত অসাধারণ ও গাফিলতির লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী ডাক্তার রনক মুশফিক ও ডাক্তার পঙ্কজ কুশ এর বিএম ডিসি লাইসেন্স বাতিল সহ আর্থিক ক্ষতিপূরণ একমাত্র দাবি ভুক্তভোগী তৌহিদুজ্জামানের। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তবে সামান মাননীয় সচিব স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয় একটি আবেদন করেন। এছাড়া তৌহিদুজ্জামান হাসপাতালের খাবারে মান, বিছানা পত্র ও টয়লেটের নোংরা পরিবেশ নিয়ে বেশকিছু ফুটেজ সংগ্রহ করে।
প্রকাশক: মো: রফিকুল ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: মিরপুর-২, ঢাকা-১২১৬।
মোবাইল : ০১৭১৫-৬৬৯৮১৪ ।
Copyright @2026Mirpurpost