ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড চকঢোষ এলাকায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলার চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ আদালতে ১৪৪ /১৪৫ ধারা মামলা চলমান রয়েছে। তারপরও আদালতের আদেশ অমান্য করিয়া জোরপূর্বক ভাবে পুনরায় ঘরবাড়ি তুলতে/ নির্মাণ করার জন্য বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা করে চলছে। তাদেরকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা আদালতের নির্দেশ অমান্য করিয়া ঘর তুলতে উদ্যোক্ত হয়।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪ নম্বর কাচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সীমা রানী দে স্বামী -মৃত/দিলীপ চন্দ্র দে এর অসহায় স্ত্রী সঙ্গে একই বাড়ীর/ এলাকার কয়েকজন আত্মীয় ও প্রতিবেশীর দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারকে হয়রানি এবং ক্ষতির চেষ্টা করে আসছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বাদীর বড় ছেলে সৈকত চন্দ্র দে, যিনি বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত, বেশ কয়েকদিন আগে সমস্যা সমাধানের জন্য ছুটিতে বাড়ি আসে। আসার পর থেকেই অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে উসকানিমূলক আচরণ শুরু করেন এবংতার সাথে খারাপ ব্যবহার সহ বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকি এবংতাকে মিথ্যা মামলা দিবে বলে হুমকি প্রদান করে এবং তার ছেলে ও তাকে অসহায় বাদীকে মারধর করতে আসে। ১.রাজিব চন্দ্র দে,মনোজ চন্দ্র দে,চাতক চন্দ্র দে, মলয় চন্দ্র দে, বিল্পব চন্দ্র দে, রীনা রানী দে,সহ সকলে জোরপূর্বক ভাবে বিরোধীও সম্পত্তিতে ঘর তোলা পায়তারা করে চলছে। পরবর্তীতে তার ছেলে সমস্যার সমাধান না করতে পেরে তার কর্মস্থলে চলে যায়। গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখ এ জমি জমা সমস্যার সমাধানের জন্য তার কাকাতো ভাই পলাশ চন্দ্র দে বাড়িতে আসলে সমস্যার সমাধানের একপর্যায়ে সকাল প্রায় ৯টার দিকে বাদীর বাড়ির উঠানে অভিযুক্তরা এসে গালিগালাজ শুরু করেন। তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। তাদের সাথে কথার কাটাকাটির এক পর্যায়ে তোদের সাথে থাকার কাটাকাটির এক পর্যায়ে বাধা দিলে তারা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।হামলা কারীরা হলেন বাধন চন্দ্র দে,সুশীল চন্দ্র দে, চাতক চন্দ্র দে, মনোজ চন্দ্র দে,মানিক চন্দ্র দে সহ আরো ৮ থেকে ১০ জন বাদীর কাকাতো ভাই এর উপর হামলা করে। এ সময় পলাশ তার বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে পলাশ চন্দ্র দেকেও মারধরের উদ্দেশ্যে তেড়ে আসে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
বাদীর ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন ও উপস্থিত সাক্ষীরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ারও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।এবং রাজিব পলাশ বাবা মা এর বিভিন্ন মিথ্যা ভিডিও ফুটেজ এবং ফেসবুকে কুচ্চা রটাচ্ছে।
পরে আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করে অরুন চন্দ্র দে বোরহানউদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রকাশক: মো: রফিকুল ইসলাম
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: মিরপুর-২, ঢাকা-১২১৬।
মোবাইল : ০১৭১৫-৬৬৯৮১৪ ।
Copyright @2026Mirpurpost